সর্বশেষ

সারাদেশ

বৃদ্ধাকে পিটিয়ে আহত করার ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-পুত্রবধূসহ গ্রেপ্তার ৫

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনা প্রতিনিধি

রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় ৭৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নারীকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র জনমনে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে বৃদ্ধার ছেলে, পুত্রবধূসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৩ আগস্ট, সাঁথিয়া উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের হাঁপানিয়া রামচন্দ্রপুর গ্রামে। বৃদ্ধা কাঞ্চন খাতুনকে (৭৫) তাঁর পুত্রবধূ সোনালী খাতুন ও ছেলে নজরুল ইসলাম মিলে প্রকাশ্যে মারধর করেন। এ সময় পাশের এক বাসিন্দা নির্যাতনের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) ভিডিওটি ভাইরাল হলে তা প্রশাসনের নজরে আসে।

ভিডিওতে দেখা যায়, বৃদ্ধাকে প্রথমে পুত্রবধূ মাটিতে ফেলে চেপে ধরে মারধর করছেন। এরপর ছেলে নজরুল এসে মাকে বারবার আছাড় মারেন। বৃদ্ধা তখন আর্তনাদ করলেও কেউ এগিয়ে আসেননি।

ওই ঘটনায় বৃদ্ধার ছোট মেয়ে আম্বিয়া খাতুন সাঁথিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে নজরুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী সোনালী খাতুন, শ্যালক মনিরুজ্জামান, শ্যালিকা ফরিদা খাতুন ও মুরশিদা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে।

ভুক্তভোগীর মেয়ে আম্বিয়া খাতুন বলেন, “মায়ের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ভাবিকে উত্তেজিত করা হয়। সে মাকে মারধর করে, পরে ভাই এসে মাকে বারবার আছাড় মারে। মায়ের শরীরের অবস্থা ভালো না, আমরা হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। ন্যায়বিচার চাই।”

রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিজু তামান্না নিজে বৃদ্ধার বাড়িতে যান এবং তাঁকে বুঝিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

ইউএনও বলেন, “ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ অভিযানে গেলে কিছু লোক বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের আটক করা হয়। বৃদ্ধাটি শারীরিক ও মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

জানা গেছে, বৃদ্ধা কাঞ্চন খাতুনের তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। দুই ছেলে ঢাকায় থাকলেও স্থানীয় ছেলের সঙ্গেই তিনি ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, “বৃদ্ধাকে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় অভিযুক্ত পাঁচজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

১২৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন