এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড

বৃহস্পতিবার , ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ১২:২৭ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এক মাস পেছানোর দাবি জানিয়ে শিক্ষার্থীরা অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেছে।
তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে এবং স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকা।
শিক্ষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের এই দাবি অযৌক্তিক। তারা বলেন, পরীক্ষার সময় পেছানোর কোনো সুযোগ নেই এবং শিক্ষার্থীরা যে দাবিটি তুলেছে, তা বোর্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
এছাড়া, জুন মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এ পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্তশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সমন্বয়ক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার গণমাধ্যমকে জানান, "পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ হয়ে গেছে এবং সব পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে পাঠানো হয়েছে। এই মুহূর্তে পরীক্ষার সময় পেছানোর কোনো সুযোগ নেই এবং শিক্ষার্থীরা যে দাবি করছে, সেগুলোর কোনো যৌক্তিকতা নেই।"
তিনি আরও বলেন, “আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পক্ষে। কিছু শিক্ষার্থী, যাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার নয়, ফেসবুকে পরীক্ষার সময় পেছানোর দাবি নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে।”
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, “১০ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষা শুরু করার ঘোষণা প্রায় ৮-৯ মাস আগে দেওয়া হয়েছে। তারপরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। তাই পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে সময় পেছানোর দাবি অযৌক্তিক এবং পরীক্ষাকে বানচাল করার একটি ষড়যন্ত্র।”
তারা আরও বলেন, "যদি দেশে বড় ধরনের কোনো দুর্যোগ বা অস্থিরতা না ঘটে, তবে সাধারণত পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করা হয় না।"
এছাড়া, কিছু শিক্ষার্থী একটি ফেসবুক গ্রুপে পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়ে দুটি বিষয় উত্থাপন করেছে। তাদের দাবি হলো, পরীক্ষা এক মাস পেছানো এবং পরীক্ষার মধ্যে ৩-৪ দিন ছুটি দেওয়া। তারা নিজেদের দাবির পক্ষে যুক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছে, রমজান মাসে রোজা রেখে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি, এবং ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে সমস্যা হচ্ছে।
১০৮ বার পড়া হয়েছে