লোকে-লোকারণ্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫ ৩:৫১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
রমজান মাসজুড়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ছিল একেবারে নীরব। বিশ্বের দীর্ঘতম এই সৈকতে ছিল পর্যটকদের অভাব।
বিভিন্ন হোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টগুলো কক্ষভাড়ায় বিশেষ ছাড় দিয়েও পর্যটক আকর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। পর্যটকনির্ভর রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য ব্যবসাও ছিল প্রায় বন্ধ।
কিন্তু ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। ঈদ দ্বিতীয় দিনে সৈকতের চিত্র পরিবর্তিত হয়েছে। সূর্যের প্রখর তাপ উপেক্ষা করে হাজার হাজার পর্যটক সমুদ্রের পাশে ভীড় করেছেন এবং অনেকেই সাগরের পানিতে নেমে পড়েছেন।
আজ কর্মকর্তাৎ সৈকতে উপস্থিত অন্তত ৬০ হাজার পর্যটক। স্থানীয়ভাবে আরও ৪০-৪৫ হাজার মানুষ সমুদ্রে নামেন। ফলে মোট সাগরে গোসল করা মানুষের সংখ্যা প্রায় এক লাখে পৌঁছেছে।
পর্যটকরা সৈকতে ঘোরাঘুরি করার পর কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, দরিয়ানগর, হিমছড়ির ঝরণা, ইনানী ও পাটোয়ারটেক সৈকতসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে যাত্রা করছেন। হোটেল-মোটেলের মালিকেরা আশা করছেন ঈদের তৃতীয় দিনে আরও অন্তত এক লাখ পর্যটক সৈকতে আসবেন।
আজ সকালে, সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে দেখা গেছে প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার পর্যটক কোমরসমান পানিতে নেমে নিজেদের কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। কেউ দ্রুতগতির জলযানে চড়ে সমুদ্রের গভীরে ভ্রমণ করছে, আবার কেউ টিউবে ভাসতে ভাসতে ঢেউয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আনন্দ উপভোগ করছেন।
১১৩ বার পড়া হয়েছে