সর্বশেষ

সারাদেশ

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

এম এস রহমান, পাবনা
এম এস রহমান, পাবনা

রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫ ১০:৪০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাবনার চাটমোহরে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম রতন (২৫) বর্তমানে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন।

তিনি নিজের অখণ্ডতার স্বার্থে নতুন এক চক্রান্তের দিকে পদক্ষেপ নিয়েছেন। আত্মরক্ষার প্রচেষ্টায় তিনি অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে কথোপকথনের স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করে নিজেকে নির্দোষ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন এবং ভুক্তভোগীর পরিবারকেও অভিযোগের আওতায় এনেছেন।

প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যাচ্ছে, রতনের পরিবারকে রক্ষার জন্য সিরাজুল ইসলাম নামের এক বিএনপি নেতা সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। অন্যদিকে, রতনের বাবা তোজাম্মেল হোসেন তজু সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করার পর থেকেই অজ্ঞাত অবস্থায় গা ঢাকা দিয়েছেন।

রতন পাবনার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন, যিনি ইতোমধ্যে বহিষ্কৃত হয়েছেন। তিনি তোজাম্মেল হোসেন তজুর পুত্র, এবং মামুন হোসেন (১৮) হলেন তার সহযোগী। মামলা দায়েরের পর উভয়েই পলাতক রয়েছে।

মামলার বর্ণনায় জানা গেছে যে, রতন এবং মামুন দীর্ঘদিন ধরে স্কুলছাত্রীকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে উত্যক্ত করছিলেন। প্রেমের প্রস্তাব এবং ফোনে বিরক্ত করার পর, গত ১১ মার্চ রাতে রতন ও মামুনসহ আরও কিছু বখাটে স্কুলছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে দরজা ভেঙে অপহরণের চেষ্টা করে। মেয়েটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে হাজির হলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে এ বিষয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়, তবে চার দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও তারা আটক হয়নি।

রতনের বাবার সংবাদ সম্মেলনের পরিকল্পনার পর, পরবর্তীতে বাড়িতে তালা ঝুলতে দেখা যায়। তজুর মোবাইল ফোন নম্বরও যোগাযোগে পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীর বাবা অভিযোগ করেছেন যে, রতন তার মেয়েকে হত্যার হুমকি দিয়েছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছে।

মেয়েটি জানিয়েছে, রতন তাকে জোর করে ধরার চেষ্টা করছিল এবং বিভিন্ন প্রস্তাব দিচ্ছিল। তিনি বলেছেন, “রতনের সঙ্গে কখনোই আমার মেসেজের আদান-প্রদান হয়নি এবং যে নম্বরটি তিনি দেখিয়েছেন, তা আমাদের নয়।”

এই ব্যাপারে সিরাজুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, “আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং আমি আসামিকে সোপর্দ করার চেষ্টা করছি।” চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা এখনও পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

১৩১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন